admin

কী বিচিত্র আচরণ!

কী বিচিত্র আচরণ! ➡️ পঞ্চাশোর্ধ শরীরের কী বিচিত্র আচরণ!  শরীর বুঝিয়ে দিতে চায় ক্ষণে ক্ষণেই, জীবনের ধারার সাথে আজ –                নির্লিপ্ত আমার জড়াজড়ি ,  আর তাই, আমাকে জীবনের আর নেই প্রয়োজন! কোষে কোষে বিদ্যুতের নির্মোহ সংযোগ! মস্তিষ্কের নিউরনের কেন্দ্রে বিচ্ছিন্নতা,  হৃৎপিন্ডের ধুকপুকানিতে –                অবিরত তুমুল অস্থিরতা,  যখন তখন ঘনিয়ে আসে শ্রাবণের ধারা, আমি চকিতেই বুঝি, […]

কী বিচিত্র আচরণ! Read More »

“প্রাণের নেশায় ছিনিয়েই নেবো!”

প্রাণের নেশায় ছিনিয়েই নেবো ➡️ পেরিয়ে  যাবোই  আমি  অকপটে – অনতিক্রম্য পর্বতশৃঙ্গ, আর                          দুর্লঙ্ঘ মরু প্রান্তর! প্রাণের নেশায় ছিনিয়েই নেবো আমি,         যা কিছু জুড়ায় আমার  অন্তর! যা  কিছু  আমার  প্রাণের স্পর্শ চায়, তাই দিয়ে আমি, সাজাবোই চরাচর! পথের মায়ায় কাটিয়ে দিয়েছি বেলা,      খুঁজতে যাইনি ঘরের সুখ-উল্লাস! তোমার জন্যে এনেছি –                  জ্যোৎস্নার ঝলমলে রাত, তাকিয়ে দেখিনি

“প্রাণের নেশায় ছিনিয়েই নেবো!” Read More »

“তোমারই খানিক স্পর্শ নিলাম!”

“তোমারই খানিক স্পর্শ নিলাম!” তুমি বললে, মনের জানালা খুলে দাও!           সৌরভে আর সুবাসে –                 মনের বাগানে,  সবুজ আর নীলের আবীর ছড়াও! আমি মেলে দিলাম –                 আমার ক্লান্ত দু’টি ডানা! দুর্নিবার স্রোতের কম্পন ছাড়িয়ে,           উন্মত্ত ঝঞ্জার হুংকার মাড়িয়ে –                মনের জানালা ধরে,  সুবাসিত মৃদু বাতাসের তোড়ে আমি, তোমারই খানিক স্পর্শ নিলাম! আমি মনে-প্রাণে পূর্ণতা পেলাম! জগৎ

“তোমারই খানিক স্পর্শ নিলাম!” Read More »

জীবন নদীর উথাল পাথাল ঢেউ!

জীবন নদীর উথাল পাথাল ঢেউ; যে জানে সে নিজেই জানে –                     আর জানে না কেউ! বারেক তোমায় ডুবিয়ে দিয়ে জলে, পরক্ষণে এক নিমেষেই – জলের বুকে ভাসিয়ে সে দেয় তুলে! দুলিয়ে নিয়ে খানিক ডোবায়,              পাড়ের আশায় আবার ভাসায়, আবার ডোবায়, আবার ভাসায়, আবার ভাসায়, আবার ডোবায় – এই তো নদীর আপন কুলের ধারা; তুমি-আমি সেই

জীবন নদীর উথাল পাথাল ঢেউ! Read More »

খুব সহজেই ছেড়ে যেতে আমি পারি!

ঝর্ণাটি আবেগী ভীষণ!

“আজও ঝর্ণাটি আবেগী ভীষণ!” উঁচু সেই পাহাড়ের বুক চিড়ে –           সেই যে ঝর্ণাটি,                 আজও সে আবেগী ভীষণ!  রাত নেই, দিন নেই,  নেই তার কোনো বেলা-অবেলার ক্লান্তি; শীত, গ্রীষ্ম কিংবা ফাগুনেও তার –           নেই কোনো বাছ বিচার; সে তার হৃদয় নিংড়ানো অশ্রুর লোনা জলে, কান্নার ঢেউ তুলে চলেছে অবিরাম! আর উঁচু সেই পাহাড়টি, ঝর্ণার বুক ভরা

ঝর্ণাটি আবেগী ভীষণ! Read More »

তোমারই খোঁজে আত্মহারা

“তোমারই খোঁজে আত্মহারা” তুমি আমার সম্পূর্ণ অস্তিত্বের মাঝে বিরাজো! তবুও তোমাকেই কেন খুঁজে ফিরি আমি –                     অক্লান্ত দিশেহারা? এদিক ওদিক এখানে সেখানে যেদিকেই তাকাই, হৃৎপিণ্ডের প্রতিটি স্পন্দন কেবলই,                      তোমারই খোঁজে আত্মহারা! তুমি সত্যিই আছো তো আমার মাঝে? অনুভবে অবিরত পাই, তবু্ও কেন –                     না পাবার ব্যথা বুকে বাজে? কেন প্রতিটি ক্ষণ আর প্রতিটি মুহুর্তের জালে, 

তোমারই খোঁজে আত্মহারা Read More »

কপালটা একবার ছুয়ে দেখবে…

কপালটা একবার ছুয়ে দেখবে কি? কপালটা একবার ছুয়ে দেখবে…           জ্বর জ্বর লাগছে! শরীর কাঁপুনি দিচ্ছে যখন তখন!  প্রচন্ড ঘামে নেয়েও উঠছি নিমেষেই!           জানো, অস্থির লাগছে ভীষণ!  দিয়ে যাবে কি একটু স্পর্শ তোমার? নিজের সাথে নিজেই কথা বলি! একাকী জীবনের চোরাবালিতে শুধু,      অর্থহীন কথার পাহাড় গড়ে তুলি! কথাগুলোই তো সর্বস্ব আমার;      কথার মালায়, কথার ফুলঝুরিতে –

কপালটা একবার ছুয়ে দেখবে… Read More »

প্রাণের নেশায় ভিজবো একেলাই!

“প্রাণের নেশায় ভিজবো একেলাই!” আমাকে  সাথে  নিয়েই  চিরচেনা আমি, পাড়ি দিবো নির্বিঘ্নে –                 অনন্ত পথের গভীর জলাধার! নিজের মাঝেই নিজেকে রাখবো জড়িয়ে,       ভয় নেই, ঘিরে থাকুক যতোই আঁধার!  আমি র’বো আমার সাথে অজানার পথে –                                 যতোদূর আমি যাই! মুষলধারে  জ্যোৎস্নালোকের  তীব্র বর্ষনে,             প্রাণের নেশায় ভিজবো একেলাই! তুমি তো শুধুই অলীক কল্পনার বেড়াজাল,                 তুমি বলে নেই

প্রাণের নেশায় ভিজবো একেলাই! Read More »

“তোমাকেই বলছি মেয়ে!” 

– এই শোনো! হ্যাঁ, তোমাকেই বলছি, মেয়ে!  – জ্বি, আমাকে? – হ্যাঁ গো হ্যাঁ, তোমাকেই তো!  – জ্বি বলুন!  – তোমাকে নিয়ে সুরের নদী পাড়ি দিতে চাই। যাবে আমার সাথে? – আমাকে নিয়ে? কিন্তু মাঝ দরিয়ায় যদি আসে জলোচ্ছ্বাস?  – কি যে বলো না তুমি! আমি আছি তো! তোমায় ভাসিয়ে নিতে পারবে না কিছুতেই, যদি

“তোমাকেই বলছি মেয়ে!”  Read More »