admin

“বিরহ কাব্য”

“বিরহ কাব্য” এক সাথে পাড়ি দিয়েছি দু’জনে অনেকটা পথ, পৃথিবীর মায়ায় দু’জনে মিলে করেছি শপথ! সাথে থাকার বাসনায় রাঙিয়ে দিগন্ত রেখা, দুর্নিবার আকর্ষণে অগ্রাহ্য করেছি কুহেলিকা! শিমুল বনের পাতা ঝরা পথে তোমার সাথে, হাসি আর খেলায় জড়িয়ে ছিলাম সন্ধ্যা প্রাতে! মেঘনার কোলে ভাসিয়ে ডিঙি রোদেলা দুপুরে, উজানের স্রোতে ভেসেছি দু’জন আকাশ নীলে! পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে […]

“বিরহ কাব্য” Read More »

“সময়ের ভাবনায়”

“সময়ের ভাবনায়” সময়ের সাথে আপোষ করার প্রশ্ন আসেনি কখনো, শুধু সময়ের তালে ভেসে গিয়েছি নিদারুণ বাস্তবতায়; সময়কে বুকে জড়িয়ে থেকেছি আপন পিয়াসী মনে, সময়কে এড়িয়ে গিয়েছি কেবলই সময়ের ভাবনায়! আজকের এই ভীষণ অসহনীয় সময়ের খেলা মাঝে – খুঁজে ফিরে প্রাণ-মন তোমাকেই, সময়ের দুরন্তপনায়! সময়ের বন্ধনে জড়িয়ে তোমারই রঙের ছোঁয়া দিয়ে, তোমারই মাঝে রাত্রিদিন মিশে থাকার

“সময়ের ভাবনায়” Read More »

“উন্মাতাল সুরে অবিভেদ্য সত্য!”

“উন্মাতাল সুরে অবিভেদ্য সত্য!” মানুষ হয়ে জন্মেছি এই পার্থিবতায় – নেই তাই ডানা আকাশে উড়ে যেতে! নীলের আবীর মেখে সমস্ত চেতনায়, ভাবনায় ভেসে চলি দিনে আর রাতে! মানব জন্মের নিগূঢ় ইশারা ঘিরে রয় – অবিরত অসম্ভবের তাড়নায় নুয়ে থাকা! সবুজ প্রকৃতির কোলে নিঃসীম আবেশে, হৃদয় পুড়িয়ে প্রেমেরই জলে ছবি আঁকা! মনুষ্যত্বের বীজ বুনে প্রাণেরই অগোচরে,

“উন্মাতাল সুরে অবিভেদ্য সত্য!” Read More »

“অশান্ত অধীর নির্ঝরিণী”

“অশান্ত অধীর নির্ঝরিণী” অশান্ত অধীর এই মনের গভীরে, তোমারই রূপের সুর নিতি বাজে! রিক্ত শূণ্য এই হৃদয়ের ঘরখানি, তোমারই রঙের ছোঁয়ায় সাজে! হৃদয়ের অলিগলি সর্বত্র জুড়ে, তোমারই রঙের অফুরন্ত ছটা! অস্থিরতার আগুনে পুড়ে পুড়েও, তোমাতেই বিলীন আমার সমস্তটা! আমি ভেসে চলি মেঘলা আকাশে, ডানা ঝাপটিয়ে মাড়িয়ে মেঘমালা! আমি দুর্নিবার আবেগে ক্লান্তি লুটিয়ে – ভুলিয়ে রাখি

“অশান্ত অধীর নির্ঝরিণী” Read More »

“খরস্রোতা কম্পনে আমি তড়পাই!”

“খরস্রোতা কম্পনে আমি তড়পাই!” অশান্ত পৃথিবীর অস্থিরতার অনলে, খরস্রোতা কম্পনে আমি তড়পাই! আমার মাঝে আমি খুঁজে ফিরি প্রাণ, অথচ প্রাণের মাঝে প্রাণ আর নাই! জীবনের খেলাঘরে দুর্বোধ্য অনলে – পুড়ে খাক প্রাণ তবুও চলে তার ধারা; সময়ের চেতনায় মন-প্রাণ সকলই, আকণ্ঠ তৃষ্ণায় নির্নিমেষ পাগলপারা! প্রাণের অগোচরে কেঁদে ফিরে প্রাণ – একটুখানি আলোর খোঁজে অসহায়; বিকট

“খরস্রোতা কম্পনে আমি তড়পাই!” Read More »

“তুমিই তো আছো!”

“তুমিই তো আছো!” তুমিই তো আছো অনুক্ষণ সাথে আমারই! নির্ঘুম রাতের এই নিস্তব্ধ প্রহরে, কিংবা ব্যস্ত জীবনের বিক্ষুব্ধ হৃদয়ের অনলে, আমি যে তোমাকেই পাই পাশে! তোমারই অনুভবে হৃদয় পুড়িয়ে করি ছাই! তোমারই অগ্নি স্পর্শে এই হৃদয় জুড়াই! তুমি আছো বলেই আজও রাত জেগে আমি, কথার মালায় বিদগ্ধ হৃদয়ে আগুন জ্বালাই! তোমারই ক্ষণিক স্পর্শ লাগি তড়পাই!

“তুমিই তো আছো!” Read More »

“আশায় দীপ্ত প্রদীপ”

“আশায় দীপ্ত প্রদীপ” নিষ্ঠুর সময়ের যাতাকলে পিষ্ট এই জীবন, সময়ের তরী তবুও বইছে নিরবচ্ছিন্ন; কষ্টের তীব্রতায় পুড়ে ছারখার সারা অস্তিত্ব, অন্তরের দহন তবু্ও পোড়াচ্ছে বিনা বিঘ্ন! প্রেমের নেশায় মাতাল প্রাণে জাগে ঘুমন্ত মন, জীবন নেশার ফাঁদে তবু নিষ্প্রভ প্রেম; ছলচাতুরীতে জড়ানো জালের প্রতিটি প্যাঁচে, জীবনের খেলাঘর, শূণ্যতার বুকে ধ্যান! অশনি সংকেত শুনি রাত্রির প্রহরের মধ্যভাগে,

“আশায় দীপ্ত প্রদীপ” Read More »

“আবহমান প্রেমের নেশায়”

“আবহমান প্রেমের নেশায়” ভীষণ রকমের আবেগপ্রবণ তোমার মন! আর তাই, মনের ডাকেই ইচ্ছে মতো তুমি, কাছে এসেও আবার দূরে দূরে চলে যাও, দূরে গিয়েও আবার বুকেতে টেনে নিয়ে, আবহমান প্রেমের নেশায় – মনের গভীর গহীনে অদম্য তৃষ্ণা জাগাও! ভীষণ ভালোবাসো তুমিও কারণে অকারণ! আর তাই, ভালোবাসার অনলে পুড়ে নিজে, যখন যেমন ইচ্ছে আমাকেও পোড়াও ভীষণ!

“আবহমান প্রেমের নেশায়” Read More »

“পার্থিবতার শৃঙ্খলে মুক্তি”

“পার্থিবতার শৃঙ্খলে মুক্তি” একটি মানুষের রূপে – অবস্থান, সময় এবং পাত্রভেদে – আচরণের বিচিত্রতা থাকে; আর সেই বৈচিত্র্যময় আচরণ, কখনোই মানুষটিকে তার আসন থেকে সরায় না! বরং পুত্রের কাছে পিতা, বোনের কাছে ভাই কিংবা স্বামীর কাছে স্ত্রী, বন্ধু’র কাছে বন্ধু – সর্বক্ষেত্রেই স্ব স্ব রূপের যথার্থতা, মানুষটিকে তার অবস্থানে আরো সুদৃঢ় করে। আমি আমার মাঝে

“পার্থিবতার শৃঙ্খলে মুক্তি” Read More »

“ভালোবাসার দহন”

“ভালোবাসার দহন” তোমারই, শুধু তোমারই রঙের ছোঁয়া, খেলে যায় উচাটন এই মনে; তোমারই স্পর্শ লাগি পুড়ে মরি আমি, ফাগুনের এই একেলা লগনে! কেন তুমি শুনতে পাও না সে ভালোবাসার দহন? দেখতে পাও না কেন পুড়ে খাক এই মন? কিছু তো চাই না তোমার কাছে, শুধু এতোটুকু প্রাণের স্পর্শ যদি আমি পাই, জগতের সকল কষ্ট নিমেষেই

“ভালোবাসার দহন” Read More »