অপরাজিতা

‘Oporajita’ celebrates strength, resilience and the indomitable spirit within. This category features empowering stories, poems and reflections that highlight the journey of overcoming challenges, embracing one’s true self and finding inner strength.

“অকারণ ব্যথা!”

অকারণ ব্যথা! ➡️ জীবনের মাঝে অকারণেই মাঝে মাঝে,  উঁকি দিয়ে যায় কিছু অকারণ ব্যথা!  মানে নেই কোন,                      তবু্ও প্রাণের মাঝেতে, অযথাই দোলা দিয়ে যায় জীবন গাঁথা! ঝলসে যায় বুকের গভীর রাতের আঁধারে,  দিবাকরের কিরণে আবারো উদগীরণ! আর কিছু নয়,                      সবই যে সময়ের খেলা!  সময়ের তালে সময়ের টিকটিক স্পন্দন! তোমার মাঝে আমার সমস্তটাই রেখে যাই, আমাতে […]

“অকারণ ব্যথা!” Read More »

“নেই কেউ কারো সাথে!”

নেই কেউ কারো সাথে! ➡️ রাতের পৃথিবী থমকে থাকে না আজ আর! ক্লান্তিবিহীন উন্মাদনা –                   তার সমগ্র অস্তিত্ব জুড়ে! তারাভরা আকাশ পানে চেয়ে দেখি না আর, হারিয়েছি কোথায় যেন –                   অনুভবের সুতোটি ছিড়ে! প্রাণ পাখির কুজন আজ বন্দী আপনাতেই! সুর আর তালের ঝংকারে,                    নেই আজ আর সেই অমৃত! ভীষণ আবেগে আর করি না জ্যোৎস্না স্নান,

“নেই কেউ কারো সাথে!” Read More »

“আমি বয়ে চলি প্রেম”

আমি বয়ে চলি প্রেম, তাই –                     নেই আমার ক্ষয় কিংবা অবসান! প্রেমের জয়গানে আমি মাতিয়ে রাখি ধরাধাম!  চিত্ত আমার অতি আবেগের উষ্ণতা নিয়ে বুকে,  তোমার মাঝে লুটিয়ে সর্বস্ব, ভরিয়ে রাখে প্রাণ!  প্রেমের  সুধা রস ধারণ করি  আমি  এই  চিত্তে! প্রেমময় আমার চিত্ত, তাই –                             প্রেম চাঞ্চল্যে সদা পরিপূর্ণ! প্রেমের অনলে পুড়ে পুড়ে  অঙ্গার হয়েও আমি,

“আমি বয়ে চলি প্রেম” Read More »

Fatherhood

“কিসের তাড়নায়!”

কিসের তাড়নায়! কিসের তাড়নায় –       নুয়ে পড়েছে আজ প্রাণটি? অতিকায় পর্বতের মতো,        ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলো যে প্রাণ – আজ কিসের নেশায় ডুবে,        হয়েছে সে এলোমেলো! কি সে অন্তর্জ্বালায় –       পুড়ছে অনন্তর অবিরাম!  সময়ের হাতে বন্দিত্বের কাছে,        ছেড়ে দিয়ে সব লেনাদেনা, জীবনের দুর্বোধ্যতায় –       এমনই বুঝি বা পরিণাম! সব খেলা থেমে যায় নিমেষেই,       ফুরিয়ে যায় সমস্ত

“কিসের তাড়নায়!” Read More »

“সম্পূর্ণ করতে পারতাম যদি!”

সম্পূর্ণ করতে পারতাম যদি! নিজেকে সম্পূর্ণ করতে পারতাম যদি! যদি প্রাণের অগোচরে গাইতো প্রাণ পাখি!  সপ্তসুরের আনন্দে যদি ভরে দিতে পারতাম – গোধুলীর ঐ সোনাঝরা আকাশের লালিমা! অন্তর ব্যাপিয়া উথাল পাথাল সমুদ্রের যে ঢেউ, পারতাম যদি তাকে নিমেষেই স্তব্ধ করে দিতে! চোখের মনির গভীরে উথলায় যে আর্তনাদ,  যদি ছুড়ে ফেলে দিতে পারতাম কৃষ্ণ গহ্বরে! একাকীত্বের

“সম্পূর্ণ করতে পারতাম যদি!” Read More »

“কিছু দুর্বল মুহুর্তে”

মাঝে মাঝেই কিছু দুর্বল মুহুর্তে,  কিছু দুর্বল মুহুর্তে, ভেঙে যায় প্রাণ!  মনের গহীন কুঠুরীতে জমে উঠে,  প্রাণকাড়া ভীষণ অভিমান!  দুমড়ে মুচড়ে চুরমার করে দিতে  ইচ্ছে করে যা কিছু সব! চেতনার অন্তরালে গর্জে উঠে ঘুমন্ত মন,  হয়েও হয় না সরব! প্রাণ পাখি উত্তাল জলের প্লাবনে – এলোপাথাড়ি তড়পায়; বুঝতে পারে না, অস্থিরতার রোষানলে,  আপনারে কোথায় লুকায়! বিষাদের

“কিছু দুর্বল মুহুর্তে” Read More »

“স্বপনচারিনী মন”

স্বপনচারিনী মন ➡️ চোখ মেলে তাকাতেই দেখি –       তাকিয়ে রয়েছো তুমি! হৃদয়ের গহীন ঘরে কেবলই,       তোমারই কণ্ঠ শুনি! দৃষ্টিতে তোমার পুলকিত প্রেম,        মেঘলা আকাশ নীল; অন্তর ছাপিয়ে আমার,        প্রেম তরঙ্গ ঝিলমিল!  ক্ষণে ক্ষণেই তুমি,        দোলা দিয়ে যাও আমার মনে; ভীষণ আবেগে আমি,        কাব্য রচি আনমনে! চাহনিতে তোমার মাদকতা –       আমারেই কাছে টানে, ভিনগ্রহের অচিনরূপী আমি,

“স্বপনচারিনী মন” Read More »

ফেরার পথে, some points clicked the mind

“ফেরার পথে”

ফেরার পথে ➡️ হঠাৎ করেই ভেতরটা ধ্বক করে উঠলো!  মস্তিষ্কের নিউরনে যদি কিছু – উলোটপালোট হয়,  শরীরের কোষে কোষে যদি – এলোমেলো আলোড়নের বিচ্ছুরণ ঘটে,  যদি সময়ের শিখা ধুপ করে – শিউরে উঠবার আগেই,  নিভে যাবার জন্যে তড়পায়, ছন্নছাড়া এই জীবনকে কে আগলে রাখবে?  সংসারের মায়া ছেড়ে,  প্রাণের টানে,  কেউ কি এই আমায় প্রাণের স্পর্শ

“ফেরার পথে” Read More »

“তোমার জন্যে একগুচ্ছ দোলনচাঁপা”

“তোমার জন্যে একগুচ্ছ দোলনচাঁপা” তোমার দিকে এক পলক দেখলেই, বুকের ভেতরে সমুদ্রের ঢেউ উথলায়! তোমার কথার মাধুর্য্যে আমি সহসাই, হারিয়ে ফেলি কথা, বিমূর্ত চেতনায়! তোমার জন্যে একগুচ্ছ দোলনচাঁপা, সাথে কিছু কামিনী ফুলের সৌরভ – মনের বাগানে তুলে রেখে রাত্রিদিন, আমি ভাবনায়, তোমাতেই থাকি সরব! তোমার কণ্ঠের স্পর্শ দিয়ে নিত্যই, তুমি ভরিয়ে রাখো আমারই আকুলতা; আমি

“তোমার জন্যে একগুচ্ছ দোলনচাঁপা” Read More »

“তোমার জন্যেই তো আদিত্য!”

তোমার জন্যেই তো আদিত্য, শুধুমাত্র তোমারই জন্যে – আমি পেরিয়ে যেতে পারি সহজেই, দুর্গম গিরি মরু প্রান্তর! সকল বন্ধন নিমেষেই বাষ্পীভূত করে, তোমার জন্যেই তো আদিত্য, আমি অবলীলায় বুক পেতে নিতে পারি – ঝঞ্জাট মেঘের ঘনঘোর! আর তাই, তোমাকে আসতেই হবে, আসতেই হবে তোমাকে আদিত্য – উত্তাল সমুদ্রের লোনা ফেনারাশি, আর কণ্টকাকীর্ণ পথের জ্বালা মাড়িয়ে!

“তোমার জন্যেই তো আদিত্য!” Read More »