অপরাজিতা

‘Oporajita’ celebrates strength, resilience and the indomitable spirit within. This category features empowering stories, poems and reflections that highlight the journey of overcoming challenges, embracing one’s true self and finding inner strength.

“ভালোবাসার দহন”

“ভালোবাসার দহন” তোমারই, শুধু তোমারই রঙের ছোঁয়া, খেলে যায় উচাটন এই মনে; তোমারই স্পর্শ লাগি পুড়ে মরি আমি, ফাগুনের এই একেলা লগনে! কেন তুমি শুনতে পাও না সে ভালোবাসার দহন? দেখতে পাও না কেন পুড়ে খাক এই মন? কিছু তো চাই না তোমার কাছে, শুধু এতোটুকু প্রাণের স্পর্শ যদি আমি পাই, জগতের সকল কষ্ট নিমেষেই […]

“ভালোবাসার দহন” Read More »

“হায় প্রেম!”

“হায় প্রেম!” – আমাকে দেখলেই তোমার খুব ভালো লাগে, তাই না? ~ মনের ভেতরে ‘এক ফাগুন রঙ’ দিয়ে যায় দোলা! – তোমাকে আমি একবার ছুঁয়ে দিলেই ভুলে যাও পৃথিবীর মায়া, না? ~ সীমানা ছাড়িয়ে প্রাণপাখি আমার আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে গেয়ে উঠে, উলালালা! – আমি যে ফিরেও দেখি না তোমার দিকে একটিবার! ~ কিছু এসে যায়

“হায় প্রেম!” Read More »

“রঙের ছোঁয়া”

“রঙের ছোঁয়া” জীবনের রঙ আমি বুঝতে পারি না কিছুতেই – যদিও রঙের খেলা চলমান অবিরাম! জীবনের রোষানলে পুড়ছি সদাই, তাই জড়িয়ে সে খেলায় শুধুই ক্লান্তিতে বহমান! রঙের সমারোহে বিক্ষুব্ধ হৃদয়ের বীণা নিয়ে, বারেবার আমি পুড়ি অথৈ নির্জনতায়; একেলা সময়ের একেলা মুহুর্তগুলিতেও, জীবনের রঙের খোঁজে প্রাণ, একেলাই ফুরায়! কখনো উদ্দীপ্ত সূর্যালোকের উত্তপ্ত কিরণে, কখনো আঁধারের গভীর

“রঙের ছোঁয়া” Read More »

“জন্মান্তরের বন্ধন”

“জন্মান্তরের বন্ধন” তোমার সাথে আমার পথচলা শুরু – এই তো, হাতে গোনা ক’দিন, তাই না? অথচ, প্রাণের মাঝে জড়িয়ে আছো যেন, জন্ম জন্মান্তরের বন্ধন দু’জনাতে! হয়তো সেই কোন অচেনা সময়ের ক্ষণে, ছুঁয়ে গিয়েছিলে তুমি আমাকে, কিংবা হয়তো বা প্রাণেরই অগোচরে আমি, আমারই স্পর্শ দিয়েছিলাম তোমাকে! তারপর এক সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমা পেরিয়ে, আবারও পথ চলায় পাশাপাশি

“জন্মান্তরের বন্ধন” Read More »

ভাঙা আমার তরী

“ভাঙা আমার তরী” আচ্ছা, জীবন মেলায় এমন হয় যদি – তীর খুঁজে পায় আমার ভাঙা তরী! আর আমি!!! বিনা মেঘে বজ্রপাতের অশনিসংকেতে, আকাশ ছেয়ে মুক্ত স্বাধীন ঈগল ডানায় উড়ি! কিংবা হতে তো পারে এমনও – তীর ভাঙা স্বপ্নগুলো, হলো এলোমেলো! আর আমার মাঝেই বহমান, ভীষণ রকমের নীড়ে ফেরার পাগল প্রাণ – পাখির কুজন মেখে, ঘরের

ভাঙা আমার তরী Read More »

একটুখানি চোখের দেখা

“একটুখানি চোখের দেখা” অনেকদিন দেখা হয় না তোমার সাথে, হ্যাঁ একটুখানি চোখের দেখা! মনের মাঝে তো ছেয়ে আছো সারাক্ষণ, তাই বুঝি না নিজেকে একা! মাঝে মাঝে যদি হয় চোখের দেখা, জীবন অনেকটাই সহজবোধ্য হয়; আর কিছু নয়, প্রাণের মাঝে শীতল এক হাওয়া বয়! আমার অনুভব তোমাতেও তো বহমান – আমি ঠিক বুঝতে পারি! আর তাই,

একটুখানি চোখের দেখা Read More »

জীবন এক অচেনা পান্থশালা!

“জীবন এক অচেনা পান্থশালা!” পৃথিবীর আলো রাঙিয়ে ছিলো সে! চলেও গেলো আঁধারে ঢেকে দিয়ে সব! জীবন যেন এক অচেনা পান্থশালা,  এই আছি এই নেই – প্রাণপাখি নীরব। আমি আছি আজও রুধিতে দীর্ঘশ্বাস,  খুঁজে ফিরি তারই মাঝে আনন্দরাশি! সময়ের ধ্বনিতে উথলায় অশ্রুধারা – মনের কুঠুরীতে প্রিয় হারানোর ফাঁসী! চলে যায়, চলে যেতে হয় তবু বিনা শর্তে!

জীবন এক অচেনা পান্থশালা! Read More »

সাতরঙা ছটা হয়েছে ফিঁকে!

“সাতরঙা ছটা হয়েছে ফিঁকে!” টান পাই না আর কোন কিছুতেই আমি!  জীবন যেন এক – জীবন্মৃত উপাখ্যান! তোমাদের মাঝেই যদিও আছি ঠিকই,  তবু্ও জীবন শুধু সুতো ছিড়ে দেয় টান! এই যে তোমাদের হাসি খেলা, কিংবা  প্রাণে প্রাণ জুড়ে দিয়ে প্রাণের মেলা, কোন কিছুতেই আমি আজ পাই না যে, খুঁজে পাই না আমার সেই দুরন্ত বেলা!

সাতরঙা ছটা হয়েছে ফিঁকে! Read More »

মাথা পেতে নিলাম তোমার হুকুম!

“মাথা পেতে নিলাম তোমার হুকুম!” তুমি বললে, ভালো কাজের উপদেশ দিতে!  বললে, মন্দ কাজ থেকে বারণ করতে! বলে দিলে, এতেই আমার মুক্তি! তুমি বলে দিলে, এর ব্যত্যয় হলে, আমার ডাকে তুমি দিবে না আর সাড়া, বরং  চরম আঘাতে শাস্তি পেতে হবে আমারই! বেশ তো, মাথা পেতে নিলাম তোমার হুকুম! নিলাম কেন বলছি, এর বাইরে তো

মাথা পেতে নিলাম তোমার হুকুম! Read More »

অরিত্রী একাকী ছটফটায়!

“অরিত্রী একাকী ছটফটায়!” ঘুমের সাথে দেখা মেলে না!  ঘুম যেন চন্দ্রালোকের – শুভ্র ঘোড়ায় চড়ে বেড়ানো, এক সুদর্শন রাজকুমার!   অরিত্রীর স্পর্শে তার কিই বা দায়!  চন্দ্রপৃষ্ঠেই তার অবাধ বিচরণ!  অথচ অরিত্রী তাকে নির্ঘুম রাতে,  একটু কাছে পেতে তড়পায়!  অরিত্রীর সেই তড়পানো,  কিছুতেই গিয়ে পৌঁছায় না – ঘুমের চন্দ্রালোকের মায়ায়!  অরিত্রী একাকী ছটফটায়!  ঘুমের তাতে কিই

অরিত্রী একাকী ছটফটায়! Read More »