তোমাতেই সঁপে দিই প্রাণ!

“তোমাতেই সঁপে দিই প্রাণ!” ➡️

তোমার রূপের ঝলকের মুগ্ধতায়, 

আমি বারেবারে নত শিরে,

তোমাতেই সঁপে দিই আমার প্রাণ!

কী ভীষণ অপরূপের আধার তুমি,

ভুলে যাই পার্থিবতার রোষানল,

আমি তোমাতেই লুটিয়ে পাই ত্রাণ!

তোমারই প্রেমে, তোমাতেই সঁপে দিই প্রাণ!

প্রাণ মন আকুলিভূত আজ –

               তোমারই প্রেমে, প্রভু!

জীবন সমুদ্রের এই উত্তাল জলরাশি, 

আর অন্তর মাঝে ছেয়ে থাকা 

       দুর্দমনীয় কাতরতায়,

তুমিই আমার –

       এক আর অদ্বিতীয় শরণ, প্রভু!

যতোই তড়পাই, আর 

       যতোই প্রাণে মনে আনচান,

তুমিই আছো আমাতে মিশে;

তাই সদাই আমাতে –

       বিশ্বালয়ের পরিপূর্ণ সুধারসে, 

তৃপ্তির আলোকে,

পরম নির্ভরতার অশেষ কৃপায়, 

               আমি পাই কেবলই প্রাণ!

তোমাতেই সঁপে দিই প্রাণ!
পরম নির্ভরতার অশেষ কৃপায়, আমি পাই কেবলই প্রাণ!

কিছুটা সময়ের সুবাতাস!

তুমিই তো সময়!!!

তোমাকেই কেমন করে, 

এই পৃথিবীর কারাগারে,

দেখো না, কিনে নিতে হয়!

আজ কিনেছি সময়!

মুক্তির আশায়,

উন্মুক্ত বাতাসের আশে,

নীলের তিয়াসে,

দিগন্তের আভাসে,

সময়ের উন্মাদনায় –

কিনে নিলাম আজ অকাতরে, 

কিছুটা সময়ের সুবাতাস!

সত্যি বলতে কি –

ঠিক সময়কে নয়;

কিনেছি সময়ের তালে, 

সময়ের আবেগে,

সময়কে ধরে রাখার চেষ্টায়,

আরো কিছুটা সময়কে –

করে নিতে জয়,

সময়কে কিনে নেবার ছলে,

বেঁধে নিয়েছি আরো কিছু সময়!

মুক্ত করে আমায়, করো বন্ধনহীন!

আমার সমস্ত কিছুর মাঝেই আমার,

     তোমাকেই, শুধু তোমাকেই প্রয়োজন! 

       তোমায় পেলে তবেই তো এই বিরহীর,

         পূর্ণতায় পূর্ণ সুন্দরতম হয় জীবন!

আমায় কৃপাধন্য করে রেখেছো তুমি,

     বেশুমার তোমার কৃপার সমাহার!

       আমার যে কেবল তোমাকেই চাই –

          নাশিতে পার্থিবতার বিকট আঁধার!

রাত্রির নিবিড় আঁধার যাই পেরিয়ে,

     আসেও মুগ্ধতায় পূর্ণ উষ্ণ সকাল!

       তোমার বিরহে তবুও ক্লান্ত আমি যে,

          এড়িয়ে যেতে পারি না ইন্দ্রজাল!

আমার মাঝে সম্পূর্ণভাবে এসো নাথ,

     তোমাকে ডাকছি আমি রাত্রিদিন! 

       পৃথিবীর মায়াজালে জড়িয়ে রয়েছি,

          মুক্ত করে আমায়, করো বন্ধনহীন!

তুমিই আমার  খেলাঘরের খুশী!

তোমার  সাথেই  প্রাণের  খেলা  আমার!

তোমার মাঝেই স্বপ্ন সাজাই,

          ছাড়ি তোমার ‘পরেই সকল ভার!

তুমিই শুধু উত্তাল সমুদ্রে কান্ডারী আমার!

কল্যাণের বৃষ্টিতে আজ নাইয়ে তুমি দিলে!

হৃদয় জুড়ে উঠলো কলতান!

          তোমাতে মিশে সকল গেলাম ভুলে,

জোয়ার-ভাটার টানে, উঠলো মন যে দুলে!

তোমার কাছেই আমি বারবার ফিরে আসি!

আমার সকল অভিমানের ভীড়ে –

          তোমার কথা ভেবেই, নির্জনে হাসি!

তুমি,  শুধু  তুমিই আমার  খেলাঘরের খুশী!

মুগ্ধতায় ডুবে আমি তোমারই রূপের ঝলকে –

ঘুরে বেড়াই আপনি মগ্নতায়, 

          আকাশ মর্ত্য আর ভুলোক দুলোকে! 

তোমার মাঝেই আমি খুঁজে পাই আপনাকে!

সময়ের হিসাবই আমার প্রাণের স্বভাব!

সময়কে ভালোবেসে আমার হৃদ স্পন্দন! 

সময়ের তালে আমার সমুদ্র মন্থন! 

আমি সময়ের রাখি না হিসাব!

সময়ের হিসাবই আমার প্রাণের স্বভাব!

আকাশের বুকে আমি থাকি কান পেতে!

ভুলে থাকি জীবন, নিশিভোর প্রভাতে!

জীবনের হাতছানিতে পার্থিবতায় লুটাই!

জীবনের খোঁজে অনিমেষ অশ্রু ঝরাই!

মানুষের জন্য সময়ের অগাধ ভালোবাসা!

মানুষ বোঝে না, সময় নিয়ে খেলে পাশা!

সময়ের গতিও তার আপন মহিমা ঘিরে –

সৃষ্টির মাঝে নিরন্তর আসে ফিরে ফিরে!

দিগন্তের ওপাড়ে দূর অজানায় থাকি চেয়ে!

জীবন আসে যদি সময়ের তরী বেয়ে!

জীবনের মাঝে থেকেও জীবনের তিয়াসা!  

প্রাণের স্পর্শে সময়ই জাগিয়ে রাখে আশা!

https://lucysjourney.com/

You may read beautiful Bengali poems of renowned Poets, click the link ➡️ https://kobita.banglakosh.com/

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *