অপরাজিতা

‘Oporajita’ celebrates strength, resilience and the indomitable spirit within. This category features empowering stories, poems and reflections that highlight the journey of overcoming challenges, embracing one’s true self and finding inner strength.

“সিক্ত অশ্রুজলে!”

“সিক্ত অশ্রুজলে!” সিক্ত অশ্রুজলে! জীবন সে তো সুরের ঝংকার, যেথায় কষ্টগুলো বিনে সুতোয় গাঁথে মালা! সুখের পাখি ঐ দূর আকাশের নীলে, দুঃখ ভুলে জীবন ছেড়ে করে খেলা! তোমায় ভেবে নাও ভাসিয়ে দিই দূরে – মনের মাঝে দ্রুত কম্পনে উঠি দুলে; নদীর জলের উথাল-পাতাল স্পন্দনে, কষ্টগুলো মাতিয়ে তুলে সিক্ত অশ্রুজলে! আমার মাঝেই তোমার হৃদয় পুড়ে খাক, […]

“সিক্ত অশ্রুজলে!” Read More »

“জীবনের লেনাদেনা!”

“জীবনের লেনাদেনা” আমি তো মাটির এক অতি ক্ষুদ্র টুকরোর চেয়েও ক্ষুদ্র প্রাণ! কি করে আমি গাইতে পারি বলো জীবনের গান? ক্ষণিকের তরে তোমাদের মাঝে থাকতে পেরেই আমি ধন্য! এর চেয়ে বেশী পাবার যোগ্যতা বুঝি বা রাখি, নগন্য! (জীবনের লেনাদেনা) এতো প্যাঁচের এই জীবন খাতার মাঝেও যতোটুকু পাই প্রাণে, তার চেয়ে বেশী কিছু চাইবার দুঃসাহস রাখি

“জীবনের লেনাদেনা!” Read More »

বেঁচে থাকা

“বেঁচে থাকা”

“বাস্তবতার লড়াই – বেঁচে থাকা” পৃথিবীর ভাঁজে ভাঁজে নিয়ত চলছে ঠান্ডা যুদ্ধ! যার আছে ভুড়ি ভুড়ি সেই করে দেয় পথ রুদ্ধ! নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যায় কারো ঘরে, কেউ বা ভুকা থেকেই ধুকে ধুকে যায় মরে! কোটি টাকা উড়ায় কেউ বা বাতাসের তোড়ে! টাকার অভাবে দিন যায় কারো নির্লিপ্ত বেঘোরে! কারো বা আবার নিরন্তর অভাবের

“বেঁচে থাকা” Read More »

“মাটির ঘর ঠিকানা”

“মাটির ঘর ঠিকানা” মাটির একটি শূণ্য ঘরে হবে ঠিকানা আমার, হৃদ স্পন্দনে যখন টিকটিক ধ্বনি নেই আর! একাকিনী সেই ঘরে জেগে রইবো উদাসিনী, তোমারই প্রতীক্ষার মালা জপ করে দিবাযামী! শূণ্য ঘরের উঠোন জুড়ে বুনবো মাধবীলতা, তুমি এলে বসিয়ে সেখানে হবে তুমুল গল্পকথা! চার দেয়ালের মাঝে থাকবে না কোন আড়াল, তোমার-আমার প্রেমলীলায় কাটবে বাকী কাল! আমার

“মাটির ঘর ঠিকানা” Read More »

সবুজের বাহারী প্রশান্ত বিকাশে!

“সময়ের ধ্বনি”

“সময়ের ধ্বনি” মনের মাঝি বললো, চলো যাই – ঘুরে আসি একটু ক্ষণ, তোমার মন মাতানো মনের ভুবন! চোখ বললো, আরে না – মনের গহীনে নয় তো এখন, চোখে চোখ রেখে হোক বন্ধন! ঠোঁট বললো, তা কেন? স্পর্শ দিয়ে আগে হও মগন, স্পর্শেই তো ভরে সারা মন! তুমি বললে, কি যে বলো না! স্পর্শ দিয়েই তো

“সময়ের ধ্বনি” Read More »

ভীষণ রকমের অগোছালো এক জীবন!

“এলোমেলো ভাবনার জালে”

“এলোমেলো ভাবনার জালে” সারাদিন কেটে গেলো এলোমেলো ভাবনার সাথে! অগোছালো জীবনের সব কিছুই, কেমন যেন নিজস্ব তালে তাল মিলিয়েই চলছে! থেমে নেই কিছুই কোথাও যদিও, শুধু বেসুরো তালে চলমান! আর আমি সেখানে শুধুই ক্ষুদ্র এক প্রভাবক মাত্র – আমার অস্তিত্বের পরিবর্তন নেই কোন! প্রভাবকের অন্য গুণাবলী আদৌ ধারণ করি কিনা, আমার জানা নেই মোটেও! অসম্ভব

“এলোমেলো ভাবনার জালে” Read More »

“জীবন চক্র”

“জীবন চক্র” জীবন চক্রের বিপুল আয়োজন, এক বৈচিত্র‍্যময় অন্তবিহীন সমাহার! খেলাধুলা কিংবা বেতাল সময়ের মাঝে, জীবন চক্রের বর্ণময় অনন্ত বাহার! আমি দেখি, তুমি দেখো না; কিংবা তুমি জানো, আমি জানি না; শুধুই জীবনের তালে ভেসে চলি, আর সময়কে বেঁধে রাখার জন্যে করি – অনিমেষ পাগলামী বারবার! জীবন চক্রের এই তো ধারাবাহিকতা, এই তো সময় নিয়ে

“জীবন চক্র” Read More »

“জীবন আকণ্ঠ মেতে রয়!”

“জীবন আকণ্ঠ মেতে রয়!” ভোরের আলোর অপেক্ষায় পৃথিবী! আর জেগে আছি আমি – আলো ঝলমলে সূর্যের কিরণের উত্তাপে, নিজেকে পুড়িয়ে আলো দিবো বলে! আলোকিত পৃথিবীর বুক আলোয় ঝলমলে, শান্তির বারতা নিয়ে আশায় উজ্জ্বল! কিছুতেই তবুও পাই না যে খুঁজে আমি, পার্থিবতের কুল ছাপিয়ে, তৃষ্ণার জল! জীবনের প্রয়োজনে জীবনের আয়োজন, বুঝি বা এমনই হয় – পুড়ে

“জীবন আকণ্ঠ মেতে রয়!” Read More »

“জন্ম নেয় নবজীবন!”

“জন্ম নেয় নবজীবন!” সমর্পণের নেশা ঘোরে ক্ষত-বিক্ষত প্রাণ! পথের মোড়ে আমি খুঁজে ফিরি তারে! সমস্ত চেতনার রঙে রাঙিয়ে নীলের সীমানা, ছুটে চলি উচ্ছ্বাসে, দিগন্তের ওপারে! অস্তরাগের ক্ষণে আকাশের লালিমায় লুপ্ত! ধীরে ধীরে প্রাণের স্পর্শে অবগাহন! মাতৃগর্ভে অনায়াসে ঝড় তুলে মাতাল ভ্রুণ! প্রাণের স্পর্শ প্রাণেতে করে সমর্পণ! লুটিয়ে চেতনার সমস্ত রঙের ছোঁয়ার প্রভাব, ঘিরে ধরে অকাতরে

“জন্ম নেয় নবজীবন!” Read More »

“জ্বলন্ত শিখা”

“জ্বলন্ত শিখা” আচ্ছা বলো তো, নদী কেন বয়ে যায়? সাগর উন্মুখ বলে কি নদী সাগরে লুটায়! নদীরও কি নেই আকুলতা প্রাণে, ছুটে কি যায় না তাই সাগরেরও টানে? আমি নিশ্চুপ নীরব প্রতিক্রিয়া বিহীন, নিরালায় এক কোণে পড়ে থাকি নির্বিকার! সমস্ত লুটিয়ে দিয়ে যাই দ্বিধাহীন চিত্তে, ভীষণ দহনেও আমি করি না চিৎকার! নদীর কূল ছাপিয়ে তুমুল

“জ্বলন্ত শিখা” Read More »