“অস্থিরতার আবেশে নীরব চীৎকারে!”
সময়ের সাথে, ভাবি, জুড়ে নিয়েছি নিজেকে!
সত্যিই কি পেরেছি জুড়ে নিতে তার কণাটুকু?
আজকাল,
অজানা ব্যস্ততায় যদিও যাচ্ছে কেটে বেশ,
রাত্রি আর দিনের প্রতিটি ধমনীর বিন্দু!
তবু্ও ক্ষণে ক্ষণেই যেন কেঁপে উঠে,
অশরিরী আত্মার মাঝে লেপ্টে থাকা প্রাণ –
ভীষণ অস্থিরতার আবেশে নীরব চীৎকারে,
তছনছ করে চুরমার করে দিতে –
সাজানো বাগান!
প্রশান্তির স্পর্শে ধীরে ধীরে মন তোমাতে মিশে,
খেলাঘরের অপূর্ণতার দায়ভারে অশ্রু ঝরায়!
আমার ‘আমি’ তো কেবলই এক সৃষ্টির একক,
আর তাই –
সুবিশাল পরিকল্পনার আড়ালে,
ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণ আবারও তোমাতেই লুটায়!
আমি ফিরে এসে, তোমাতেই থাকি জুড়ে;
সময় তো তুমিই, আমি তোমাতেই মিশে রই!
আমার সমস্ত ভাবনার দীপশিখা অমলিন –
সময়ের মাঝেই জুড়ে আমি থাকি,
আমি তো আমার কভু নই।।।
অস্থিরতার আবেশে নীরব চীৎকারে, ভাঙচুর করে নিজেকে –
তোমার চোখে চোখ রেখে আদিত্যের ঝলক শুনিনি।
হাতের স্পর্শ দেখিনি তোমার আজও আমি।
তোমার চুলের ঘ্রাণের মাদকতায় যাইনি স্বপ্নরাজ্যে।
হৃদয়ের বীণায় কি সুরে গাও, তারও ধার ধারিনি।
আমার হৃদয়েরই ডাকে সাড়া দিয়ে আমি –
কেবল আমারই হৃদয়ের ডাক শুনেছি;
তোমাকেই খুঁজে পেতে, দিন-মাস-বছরের আড়ালে,
একাকী নির্জনে ভালোবাসার বীজ বুনেছি।
তারপর অবশেষে, এই তো তুমি এখানেই, তবু্ও –
রয়েছো কতো লক্ষ-যোজন দূরে!
জানি না কি আছে তোমারই ঐ জীবন জুড়ে,
আর কি বা আছে তোমার মনেরই গভীরে!
আমি নিভৃতে ভাঙচুর করে নিজেকে –
হৃদয়ের অতল গহ্বরে খুঁজেছি যাকে,
মন বলেছে, তুমিই সেইজন, তাই অবলীলায় আমি –
আপনার মাঝে এঁকে নিয়েছি প্রাণবন্ত তোমাকে।
দুই জনমের ভালোবাসায় তোমাকেই চেয়েছি।
প্রার্থনার প্রতি স্পন্দনে আজও তোমাকেই চাইছি।
ঝিনুকের বুকে মুক্তোর রূপে আমায় রাখো।
অরিত্রীর মায়াকাননে ক্লান্ত, একা আর পারি না তো!
ভালো লাগার বিমূর্ত আবেশ!
মস্তিষ্কের নিউরনে শিহরণ!
ক্ষণে ক্ষণেই তুমুল আলোড়ন!
কেন জানো?
তোমার সাথে দেখা হবে সহসাই,
সেই ভাবনাতেই শিহরণ!
হৃদয়ের প্রকোষ্ঠে কম্পন!
দ্রুততর হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন!
প্রাণ তড়পায়!
তোমাকে দেখবো বলেই বুঝি বা –
বেড়েছে হৃদয়ের অনুরনন!
অপেক্ষার অন্তবিহীন প্রহর!
ছাড়িয়েছে দিন-মাস-বছর!
কী ভীষণ আশে –
চেয়ে আছি পথপানে অনিমেষ,
হয়ে তোমাতেই বিভোর!
সুন্দর চারিধারে আছে ঘিরে!
ভালো লাগার বিমূর্ত আবেশ!
কেন জানো?
তুমি আসবে, তোমাকে দেখবো!
প্রাণ জুড়ে কেবলই তারই রেশ!

তুমিই আমাকে করবে গ্রহন।
জীবনের লগ্ন পেরিয়ে এসেছি,
সেই ক’বে!
ফিরে যাবার উন্মাতাল ক্ষণে তবুও
তোমাতেই মগ্নতা!
আলো-আঁধারের খেলাঘরের
দুর্বল এই প্রাণে –
স্পর্শ দিয়ে যাও তুমি,
বুঝি বা তোমাতেই পরিপূর্ণ পূর্ণতা।
কি নাম দেবো তার,
বুঝতে পারি না কিছুতেই;
সময়ের কাছে তাই তো আমি –
করেছি নিবেদন:
শূণ্যতায় পূর্ণ এই আমাকে নিয়ে,
পার্থিবতার অযাচিত অসংলগ্নতা আর
কটাক্ষ মাড়িয়ে –
তুমিই আমাকে করবে গ্রহন।
বলো, করবে তো?
এক ফালি মায়া!
রাত্রি আর দিনের এই সন্ধিক্ষণে –
ঘুমন্ত পৃথিবীর বুকে জেগে থাকে,
এক ফালি মায়া;
উদাসী প্রাণের সমস্তটুকু জড়িয়ে,
পাখির সুমধুর কণ্ঠের সাথে –
আঁকে নীলের বুকে আলোর ছায়া।
জীবন ফিরে পেতে চায়!
মাঝরাতের এই নীরবতায় –
নিস্তব্ধতাও কাঁদে!
দিনের আলোকজ্জ্বল নীলাকাশও,
অন্ধকারে ছেয়ে যায়!
অমাবস্যার ঘুটঘুটে তীব্রতায়,
পূর্ণিমা লুকায়!
মানবীর না-বলা কথা তড়পায় –
বন্ধ দেয়ালের ফাঁদে!
তবুও নিশাচর পাখি,
এলোমেলো ডানা ঝাপটায়!
অকস্মাৎ ঘনঘোর মেঘের গর্জনে
কাঁপে লোকালয়!
কালবোশেখীর আগমনী ডাকে,
কম্পিত হয় হৃদয়!
মানবীয় সমস্ত অস্তিত্ব সহসাই –
জীবন ফিরে পেতে চায়!
https://lucysjourney.com/lucys-artistic-journey/
You may read beautiful Bengali Poems by renowned Poets, click the link https://www.bangla-kobita.com

চমৎকার 🖌️
অনেক ধন্যবাদ।
দারুণ….. চমৎকার সব কবিতা গুলো।
অনেক ধন্যবাদ, বাবু। ভালো থেকো।